ঠিকই ভেবেছিলো
রাত্রি
কবিতা দিয়ে তো আর
পেট ভরানো যায় না!
হাতের আঙুলের ফাঁকে
হাত রেখে
ঘন কুয়াশা পথে
হাঁটতে হাঁটতে
হারিয়ে যাওয়া, কিংবা
কাঁধে মাথা রেখে
নিবিড় হয়ে
সূর্যোদয় দেখা, আর পড়ন্ত
বিকেলের
গোধুলি উত্তাপ বুকে
নিয়ে
স্যাঁতস্যাঁতে
মনখারাপের বিষন্নতা
মুছে ফেলা, একে
অপরকে বোঝা;
ও তো মুহুর্তের
বিলাসিতা মাত্র,
তাই দিয়ে তো আর পেট
ভরানো যায় না!
ঠিকই ভেবেছিলো
রাত্রি
চাঁদের আলোয় গা না
ভাসিয়ে
মহুয়া ফুলের গন্ধে
হারিয়ে যাবার চাইতে
রাইস-কুকারে সেদ্ধ
হওয়া বাসমতি চাল
সুগন্ধ ছড়ায় অনেক
বেশি,
হাড়িতে ফোটা সেদ্ধ
চাল আর
কবিতা দিয়ে তো
পেট ভরানো যায় না!
ঠিকই ভেবেছিলো
রাত্রি
স্প্রিং-ক্লাবের
স্যান্ডুইচটার অনেক ভালো টেস্ট,
লাচুং’এর ঝুপ করে
নেমে আসা সন্ধ্যা
আর উষ্ণতায় ভরা
চায়ের কাপের চাইতে|
ইচ্ছে করলেই তো ওসব
কিনে নেওয়া যায়
তুড়ি মেরে, স্বপ্ন;
এমনকি ভালোবাসাও,
কবিতা দিয়ে তো আর
পেট ভরানো যায় না!
No comments:
Post a Comment