Sunday, March 23, 2014

এপারেই



বন্ধ জানলার কাঁচের বাইরে হলুদ পৃথিবী
আর মেঘলা আকাশে ফ্যাকাসে!
তবু তুমি আমি’র চির সবুজের আকর্ষণে
সাঁতার কাটি জানলার এপারেই |

পাকদন্ডি পথ বেয়ে রাতের তারারা
মিটমিট করে জোনাকি হয়!
আর সুর্যোদয়ের ভয়ে ঢাকা দিই পর্দা
হাতড়ে বেড়াই জানলার এপারেই |

Wednesday, March 19, 2014

চাঁদের হিংসে


নির্লজ্জ! বেহায়া!

উঁহু তোমায় বলিনি!

ঈষত্হাওয়ায় মাথা নাড়ানো

নারকেল গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে

খোলা জানলায় উঁকি দিয়ে

দেখেই চলেছে আমাদের

ওই চাঁদটা—



আমি কেমন থাকি বা না থাকি

তোর্ তাতে কি?!

ভাবিস না তোকে নিয়েই আমি

সবসময় কবিতা লিখব!

আমার কাছেও আরেকটা চাঁদ আছে—

সে উঁকি দেয় না অন্য ঘরে;

এই এই একদম হিংসে করবি না!



তবু মাঝে মাঝে তোকে দেখতে মন যায়

সময়ে অসময়ে ভাবতে থাকি তোর্ কথা

একটা আকাশে তুই আজও একা|

রাগ করিস না!

আমরাও একা হই কখনো সখনো

আসলে সবই-ই একা
এই জনারন্যে অনেক মানুষের ভিড়েও!

তোমাকে দেখতে গিয়ে

কখনো-বা তোমাকেই দেখতে চাই|
তুমি আতস কাঁচে মেপে চল
সংসার জীবনের অসার জটিলতা
মেঘে মেঘে নেমে আসে সন্ধ্যে

তখনো-বা তোমাকেই দেখতে চাই|
তুমি বোকা-বাক্সের আড়ালে আঁকা
অসম্ভবের সম্ভাবনায় বুনে চল কাঁথা
অপাপবিদ্ধ চাঁদের মনে রাত নামে

হয়তো-বা তোমাকেই দেখতে চাই|
তুমি আপন খেয়ালে মনের দরজায়
অকারণ ভাবনায় লাগাও সীলমোহর
ক্রমশঃ আরেকটি ভোর উঁকি দেয়

শুধু তোমাকেই দেখা হয়ে ওঠে না!

এই ফাগুনে




খোলা জানলা ফাগুন হাওয়া
মন মেতেছে সুখে
আবির রং ছড়িয়ে গেছে
চাঁচড় পোড়া বুকে

জট

গিট্ খুলতে খুলতে
নতুন করে জট পাকিয়ে যায়
গড়াগড়ি খায় রাত-বিরেতে
ঘরের কোনায় নিতান্ত অবহেলায়

ঘর পরিষ্কার করতে এসে
কখনো ধুলো-ঝাড়ুর সাথেই
ঘরের কোনা থেকে পাক খেতে খেতে
দরজার বাইরে পড়ে থাকা আবর্জনায়

আবারও জট পাকায়
নষ্ট হতে থাকা ইচ্ছেগুলো
তবু মনে থাকে ঘরের আশ্রয়ে
বারবার গিট্ খুলতে চেয়ে

অহরহ জট পাকিয়ে যায় ভাবনাগুলোয়