"আসলে হারায় না কিছুই, জায়গা
পাল্টে পাল্টে থেকে যায় সবাই.. তুমি বাড়ি আছো! আর হঠাৎ সানাইয়ের শব্দে কাঁচা হলুদের ভোরে উড়ে আসা খলবল
প্রজাপতির ডানার রং যে হাতে মেহেন্দি হয়েছে, সেই হাতের স্পর্শে মঙ্গল ঘটের বুক
জুড়ে পড়ে থাকা স্বস্তিকা চিন্হের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঘুমিয়ে থাকা লাল হলুদের বিছানায়
সুগন্ধ স্রোত ভিজিয়ে দিয়ে যায় দু’চোখ আর দু’চোখের জলের আয়নায় ভেসে ওঠে তোমার
দ্বিতীয় নারীর ভেজা এলোচুলের ঘূর্ণি জলের ঝাপটার মুহূর্ত| পিছন দিয়ে চারের বাকি
দু’হাত জড়িয়ে ধরতেই একুরিয়ামের কানা ধরে ঝুলে পড়ে তৃতীয়, চতুর্থ বা ক্রমান্বয়ে ক্রমিক
নারীরা| নিঃস্তব্ধ পাথর অট্টহাস্যে ফেটে পড়ে আর তখনই জেগে ওঠে একটা পূর্ণাঙ্গ
সত্তা| বুকের কাছটা ভিজে যায়| কিছু মিইয়ে যাওয়া শব্দ বাচ্চা শিশুর মতো থপথপ পা
ফেলে এগিয়ে এসে বলে, ‘আমি তোমাকেই ভালোবেসেছি|’ আর তখনই ছিটকে আসে আয়নার গায়ে
কিছু জলে ভেজা সিঁদুরের গুঁড়ো যার ইন্দ্রজালে আবদ্ধ তোমার মন কোনদিনই দেখতে পাবে
না যা একটা মৃত – শিশিরকে বুকে আগলে রেখে ভোরের দোয়েলটার শিস দিতে ভুলে যাওয়ার
গল্প| শুধু কয়েকটা বোবা দৃষ্টি তোমার ঘরের ভেন্টিলেটারে আমৃত্যু জেগে আছে..."

No comments:
Post a Comment